প্রতিটা ক্যান্ডেলস্টিক একটা নির্দিষ্ট সময়ের চারটে সংখ্যা দেখায়। Daily chart-এ সেটা একটা দিন।
| সংখ্যা | মানে |
|---|---|
| Open | দিন শুরুর দাম |
| High | দিনের সর্বোচ্চ |
| Low | দিনের সর্বনিম্ন |
| Close | দিন শেষের দাম |
শরীর (body) — open আর close-এর মধ্যেকার মোটা অংশ।
সলতে (wick) — শরীরের উপরে ও নিচে সরু রেখা, যা high আর low দেখায়।
রং — close যদি open-এর উপরে হয়, মোমবাতি সবুজ। নিচে হলে লাল।
একটা লাল মোমবাতি মানে দাম ওই দিনের শুরুর তুলনায় কমেছে — আগের দিনের তুলনায় নয়। এটা নতুনরা প্রায়ই গুলিয়ে ফেলেন। একটা শেয়ার আগের দিনের চেয়ে উপরে বন্ধ হয়েও লাল মোমবাতি দেখাতে পারে, যদি সেদিন gap-up খুলে তারপর নেমে আসে।
বেশিরভাগ মানুষ শরীর দেখেন। কিন্তু সলতেতেই আসল গল্প থাকে, কারণ সলতে দেখায় দিনের মধ্যে কী কী চেষ্টা হয়েছিল।
দাম দিনের মধ্যে অনেক নিচে নেমেছিল, কিন্তু ফিরে এসেছে। মানে নিচের দিকে ক্রেতারা এসেছিলেন — বিক্রেতারা নামাতে চেয়েছিলেন, পারেননি।
দাম অনেক উপরে উঠেছিল, কিন্তু ধরে রাখতে পারেনি। মানে উপরে বিক্রির চাপ এসেছে।
দিনটা একমুখী ছিল, খুব কম বিরোধিতা। শক্তিশালী দিন — কোন দিকে, সেটা শরীরের রং বলে।
একটা কাজের অভ্যাস: প্রতিটা মোমবাতিকে একটা দিনের গল্প হিসেবে পড়ুন। "খুলল এখানে, নেমে গেল ওখানে, কিন্তু ফিরে এসে বন্ধ হল এখানে।" প্যাটার্নের নাম মুখস্থ করার চেয়ে এই অভ্যাস অনেক বেশি কাজে দেয়।
চারটে সংখ্যার মধ্যে close সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দিনের শেষে যে দামে লেনদেন থেমেছে সেটাই দিনের চূড়ান্ত রায়।
আরও নির্দিষ্ট করে — দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্নের মধ্যে close কোথায় পড়েছে, সেটাই মূল তথ্য।
| Close কোথায় | সাধারণত যা বোঝায় |
|---|---|
| দিনের উপরের দিকে | দিনের শেষে ক্রেতারা নিয়ন্ত্রণে |
| দিনের নিচের দিকে | বিক্রেতারা নিয়ন্ত্রণে |
| মাঝামাঝি | স্পষ্ট কিছু নয় |
এখানেই সবচেয়ে কাজের পর্যবেক্ষণ। বেশি ভলিউম মানে অনেক হাতবদল হয়েছে — কিন্তু কে জিতল সেটা ভলিউম একা বলে না।
| ভলিউম বেশি, এবং… | সাধারণত যা বোঝায় |
|---|---|
| উপরের দিকে বন্ধ | ক্রেতারা বড় পরিমাণে ঢুকছেন |
| নিচের দিকে বন্ধ | বিক্রেতারা বড় পরিমাণে বেরোচ্ছেন |
একই আকারের ভলিউম স্পাইক দুটো সম্পূর্ণ উল্টো জিনিস বোঝাতে পারে। ভলিউম বলে কতটা, close বলে কোন দিকে। দুটো একসঙ্গে না দেখলে ছবিটা অর্ধেক থেকে যায়।
ইন্টারনেটে পঞ্চাশের বেশি প্যাটার্নের তালিকা পাওয়া যায়। বাস্তবে বেশিরভাগ ট্রেডার হাতে গোনা কয়েকটাই ব্যবহার করেন।
ছোট শরীর উপরে, লম্বা নিচের সলতে। দাম অনেক নামার পর ফিরে এসেছে। পতনের শেষে দেখা গেলে এটা লক্ষণীয় — বিক্রেতাদের চাপ শোষিত হয়েছে।
Hammer-এর উল্টো — ছোট শরীর নিচে, লম্বা উপরের সলতে। উত্থানের পরে দেখা গেলে বোঝায় উপরে বিক্রির চাপ এসেছে।
শরীর প্রায় নেই — open আর close প্রায় এক। মানে সারাদিন লড়াইয়ের পরেও কেউ জেতেনি। এটা কোনো সংকেত নয়, এটা দ্বিধার চিহ্ন। Doji দেখে কিছু করা নয় — পরের দিন কী হয় সেটা দেখা।
একটা লাল মোমবাতির পরে এমন একটা সবুজ মোমবাতি যার শরীর আগেরটাকে পুরো ঢেকে দেয়। মানে ক্রেতারা আগের দিনের পুরো পতন মুছে দিয়েছেন।
উল্টোটা — সবুজের পরে বড় লাল, যা আগেরটাকে ঢেকে দেয়।
এই পাঁচটা ভালভাবে বোঝা, পঞ্চাশটা নাম মুখস্থ করার চেয়ে অনেক বেশি কাজে দেয়। আর মনে রাখবেন — প্যাটার্নের নাম গুরুত্বপূর্ণ নয়, তার পিছনের যুক্তিটা গুরুত্বপূর্ণ। নাম ভুলে গেলেও চলবে, যদি বুঝে থাকেন সলতে আর শরীর কী বলছে।
এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ, এবং সবচেয়ে কম শেখানো হয়।
একটা Hammer কোথায় তৈরি হয়েছে তার উপর তার অর্থ সম্পূর্ণ নির্ভর করে।
| Hammer কোথায় | অর্থ |
|---|---|
| দীর্ঘ পতনের শেষে | লক্ষণীয় — চাপ শোষিত হয়েছে |
| উত্থানের মাঝখানে | প্রায় অর্থহীন |
| দিকহীন বাজারে | গোলমাল, উপেক্ষা করুন |
একই আকারের মোমবাতি, তিনটে সম্পূর্ণ আলাদা অর্থ। এই কারণেই প্যাটার্ন খোঁজার আগে প্রেক্ষাপট দেখতে হয় — দাম কি ২০০ DMA-র নিচে? কতটা নিচে? কতদিন ধরে পড়ছে?
প্যাটার্ন হল বাক্যের শেষ শব্দ। আগের শব্দগুলো না পড়ে শুধু শেষ শব্দ দেখে বাক্যের মানে বোঝা যায় না।
শেষ পয়েন্টটা সবচেয়ে ব্যয়বহুল। চার্ট বলে কখন; কী — সেটা সংখ্যা দেখে আগেই ঠিক করতে হয়।
ক্যান্ডেলস্টিক পড়া তত্ত্ব পড়ে শেখা যায় না, দেখে দেখে শেখা যায়।
এটা প্রায় ৩০-৪০ মিনিটের কাজ, এবং প্রথমবার বিরক্তিকর লাগবে। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ এটা করলে মোমবাতি "পড়া" স্বাভাবিক হয়ে যায় — নাম মনে করার দরকার পড়ে না।
POONJEE কোনো টিপস বা বাই-সেল কল দেয় না। এই পাতায় শুধু চার্ট পড়ার পদ্ধতি ব্যাখ্যা করা হয়েছে — কোন শেয়ারে কী করবেন, সেই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে আপনার।
সুইং ট্রেডিং-এর পুরো প্রক্রিয়া — স্টক বাছাই, এন্ট্রি, পজিশন সাইজিং ও এক্সিট — আসল চার্ট দেখে শেখানো হয়। কোনো টিপস নয়, কোনো বাই-সেল কল নয়।
WhatsApp-এ সিট বুক করুনওই দিনের শুরুর তুলনায় কমেছে — আগের দিনের তুলনায় নয়। একটা শেয়ার আগের দিনের চেয়ে উপরে বন্ধ হয়েও লাল মোমবাতি দেখাতে পারে, যদি সেদিন gap-up খুলে তারপর নেমে আসে।
হাতে গোনা কয়েকটাই যথেষ্ট — Hammer, Shooting Star, Doji, Bullish ও Bearish Engulfing। পঞ্চাশটা নাম মুখস্থ করার চেয়ে পাঁচটার পিছনের যুক্তি বোঝা অনেক বেশি কাজে দেয়।
Close — দিনের শেষে যে দামে লেনদেন থেমেছে। আরও নির্দিষ্ট করে, দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্নের মধ্যে close কোথায় পড়েছে। সলতেও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সেটা দিনের মধ্যে কী চেষ্টা হয়েছিল তা দেখায়।
সাধারণত কিছু না। Doji কোনো সংকেত নয়, দ্বিধার চিহ্ন — সারাদিন লড়াইয়ের পরেও কেউ জেতেনি। পরের দিন কী হয় সেটা দেখাই যুক্তিসঙ্গত।
না। একই Hammer দীর্ঘ পতনের শেষে লক্ষণীয়, আর উত্থানের মাঝখানে প্রায় অর্থহীন। প্রেক্ষাপট — দাম কোথায় আছে, কতদিন ধরে পড়ছে — সেটা প্যাটার্নের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
ভলিউম বলে কতটা হাতবদল হয়েছে, close বলে কে জিতেছে। বেশি ভলিউমে দিনের উপরের দিকে বন্ধ হওয়া আর নিচের দিকে বন্ধ হওয়া — দুটো সম্পূর্ণ উল্টো জিনিস, যদিও ভলিউম একই।